ই-পাসপোর্ট আবেদনের চেকলিস্ট: কাগজ, ফি যাচাই ও সাধারণ ভুল
ফি আর অপশন বদলায় বলে এখানে স্থির অঙ্ক নেই। তার বদলে আবেদনের আগে কোন সিদ্ধান্তগুলো নিতে হয়, কী কাগজ রাখবেন আর ফি কোথায় নিশ্চিত হবেন, তা আছে।
১. আগে কী ঠিক করবেন
ফরমে পেজ সংখ্যা (৪৮ বা ৬৪), মেয়াদ (৫ বা প্রযোজ্য হলে ১০ বছর) এবং ডেলিভারির ধরন বাছতে হয়। ভ্রমণ বেশি হলে বেশি পাতার পাসপোর্ট কাজে লাগে। সব অপশন সবার জন্য খোলা থাকে না।
ফি এই তিনটি সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করে, তাই আগে অপশন ঠিক করে তারপর ফি দেখুন। বিস্তারিত ই-পাসপোর্ট গাইডে।
২. কাগজ ও তথ্য
কোন পরিচয়পত্র লাগবে তা বয়সের ওপর নির্ভর করে। সাধারণ চেকলিস্ট:
- প্রাপ্তবয়স্কের জন্য স্মার্ট এনআইডি; অপ্রাপ্তবয়স্কের জন্য জন্ম নিবন্ধন।
- এনআইডি বা জন্ম নিবন্ধনে নাম, জন্মতারিখ ও পিতা-মাতার নাম যেভাবে আছে, ফরমেও হুবহু সেভাবে।
- আপনি যে নম্বরে কল বা এসএমএস ধরতে পারবেন সেই মোবাইল নম্বর।
- নবায়ন হলে পুরোনো পাসপোর্ট।
৩. ফি কোথায় দেখবেন
ফি পেজ সংখ্যা, মেয়াদ ও ডেলিভারির ধরন অনুযায়ী আলাদা, আর সরকার তা বদলাতে পারে। তাই অনলাইনে পুরোনো ছক বা ফেসবুক পোস্টের অঙ্ক ধরে ব্যাংকে যাবেন না। অফিসিয়াল ই-পাসপোর্ট পোর্টাল থেকে আবেদনের সময়কার ফি দেখুন এবং পোর্টালে দেখানো চ্যানেলেই দিন।
৪. আবেদনের পরে
অনলাইন ফরম আর ফি দেওয়ার পর নির্ধারিত দিনে অফিসে গিয়ে আঙুলের ছাপ, ছবি ও স্বাক্ষর দিতে হয়। আবেদন নম্বর ও পেমেন্টের রসিদ সঙ্গে রাখুন। স্ট্যাটাস শুধু অফিসিয়াল পোর্টালের সুবিধায় দেখুন, আর এসএমএস বা নোটিশ উপেক্ষা করবেন না।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
ই-পাসপোর্টের ফি কত?
অঙ্ক পেজ, মেয়াদ ও ডেলিভারি অনুযায়ী বদলায়। আবেদনের সময় অফিসিয়াল পোর্টালে দেখে নিন।
ঘরে বসে আবেদন করা যায়?
ফরম ও ফি অনলাইনে হয়। আঙুলের ছাপ, ছবি ও স্বাক্ষরের জন্য নির্ধারিত দিনে অফিসে যেতে হয়।